ঢাকাবুধবার , ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. আইন আদালত
  3. আজ দেশজুড়ে
  4. আজকের সর্বশেষ
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কৃষি সংবাদ
  7. খাদ্য ও পুষ্টি
  8. খুলনা
  9. খেলাধুলা
  10. চট্টগ্রাম
  11. চাকরি-বাকরি
  12. ছড়া
  13. জাতীয়
  14. জীবনযাপন
  15. ঢাকা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ময়মনসিংহে ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্যসহ আচরণে অতিষ্ঠ সেবাগ্রহীতারা

স্টাফ রিপোর্টারঃ
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১২নং ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে জমি নামজারিসহ বিভিন্ন কাজে ঘুষ দুর্নীতি, আচার আচরণসহ নিয়ম-নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্বরত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা লুৎফর রহমান টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না, অর্থের বিনিময়ে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতিবেদন তৈরি করেন। তার এই প্রক্রিয়ায় প্রতারিত হচ্ছেন অসংখ্য নিরীহ মানুষ, যারা পরবর্তীতে জমি নিয়ে মামলা ও জটিলতায় পড়ছেন। গ্রামের সহজ সরল ভূমি মালিকরা ভূমি অফিসে গেলে প্রতিটি ধাপে ধাপে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নিচ্ছেন এহ ভূমি কর্মকর্তা লুৎফর রহমান। তার ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ভাবখালী ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতারা।

ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমির খাজনা, দাখিলা, নামজারি (মিউটেশন) এবং ভূমি সংক্রান্ত অন্যান্য সরকারি সেবা প্রদান করে থাকে। ভূমি সংক্রান্ত সকল সেবা দ্রুত সেবাগ্রহীতাদের মাঝে পৌঁছে দিতে সরকার নানান উদ্যোগ নিলেও এর উল্টো চিত্র বিরাজ করছে ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। সুত্র জানিয়েছে এই অফিসে সেবা নিতে আসলে গুনতে হয় টাকা আর টাকা না থাকলে হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হতে হয়, এমন অভিযোগ সেবাগ্রহীতাদের।

এই ভূমি অফিসে কারণে-অকারণে সেবাগ্রহীতা জনসাধারণকে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। আবার দিন দিন দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে এবং অফিসের লোকদের সঙ্গে ঘুষের বিষয়ে চুক্তিবদ্ধ না হয়ে সেবা নিতে গেলে সেবাগ্রহীতাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। এমনকি চাহিদা মতো ঘুষ না দিলে দীর্ঘদিনেও অফিসের টেবিল থেকে নড়ে না ফাইল। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়ছে ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা জনসাধারণ।

স্থানীয়রা জানান, নায়েব লুৎফর রহমান দালাল চক্রের সহায়তায় অবৈধভাবে বিভিন্ন জমি সংক্রান্ত কাজের অনুমোদন দিচ্ছেন। দালালদের মাধ্যমে কাজ করায় ভূমি মালিকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

বর্তমানে ভূমি অফিসের প্রায় সকল কার্যক্রম অনলাইনে। তথ্য মতে, একজন খারিজ গ্রহীতা প্রথমে অনলাইনে আবেদন করবেন। এর পর তার হার্ড কপি অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর কাছে জমা দিতে হয়। আবার জমি সংক্রান্ত সকল সেবার জন্য নিময় অনুয়ায়ী লিখিত অবেদনও জমা দেওয়া হয়। এর পর শুরু হওয়ার কথা সেই ফাইলের কাজ।

অভিযোগ উঠেছে-ঘুষের টাকা ছাড়া সেবাগ্রহীতারা আবেদনপত্র জমা দিলে তা আর খুঁজে পাওয়া যায় না। এমনকি অফিস ঘুষ ও দালাল সিন্ডিকেটের বাহিরে গেলেই আবেদন বাতিল করাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয়। অথচ নায়েবের চাহিদা মতো অতিরিক্ত টাকা দিলেই তারা অফিসের ভিতরে গেলেই চোখের পলকে সমস্যা সমাধান হয়ে যায়।

অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে, প্রতিটি নাম জারী খারিজের নথি পিছে ২ হাজার টাকা নায়েবকে দিতে হয়, প্রতিটি মিস কেইস, ১৪৪সহ বিভিন্ন মামলার প্রতিবেদনে নায়েবকে দিতে হয় ৩-৫ হাজার টাকা। অভিযোগ উঠেছে নায়েব লুৎফর রহমান। খাজনার টাকা আদায়ে বেশী বেশী করে ছাড়লেও পরে তাকে টাকা দিলেই খাজনার পরিমাণ কমে যায়, এতে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা। ভূমি বিষয়ে কেউ নায়েবের সাথে কেহ পরামর্শ করার প্রয়োজন মনে করে তার সাথে ভূমি বিষয়ে ভালো মন্দ পরামর্শ করতে গেলে নায়েব লুৎফর রহমান তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সুত্র জানিয়েছে- ঘুষের টাকা নেওয়ার জন্য অফিসে নায়েবের নিয়োজিত দুজন লোক রয়েছে তার, একজন মহিলা নাম তাসলিমা ও অপরজন পুরুষ নাম আরিফ।

এ বিষয়ে জানতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে প্রতিবেদক তার পরিচয় দিয়ে ভূমি সহকারী কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে চেষ্টা করলে নায়েব লুৎফর রহমান এই প্রতিবেদকের সাথে অসৌজন্য আচরণ করেন। নূন্যতম শিষ্টাচার নেই তার কর্কশ ব্যবহার দিয়ে কি বুঝাতে চান এই নায়েব?

ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় বাসিন্দারা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তারা মনে করেন, ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এ ধরনের অনিয়মে সুষ্ঠু তদারকি ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন

আমাদের সাইটে আমরা নিজস্ব সংবাদ তৈরির পাশাপাশি দেশের এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম থেকে গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করে নির্ভুল সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। আমরা সবসময় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে, যদি কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম বা নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য। এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
%d bloggers like this: